Saturday, August 25, 2012

ব্যায়ামের নাম ফিকামলি

ব্যায়ামের নাম ফিকামলি - আহমদুল হাসান 'শরীরকে সুস্থ রাখতে আমরা কত কিছুই না করি! জটিল শারীরিক কসরত করতেও আমরা পিছপা হই না। শরীর সুস্থ রাখলেই শুধু হয় না, চাই মন ও আত্মার সুস্থতাও। শরীর, মন আর আত্মার সুস্থতাই হলো প্রকৃত সুস্থতা।' বলছিলেন পাখি গবেষক ব্যায়ামাচার্য ড. আবদুল ওয়াদুদ। পাখির ওপর দীর্ঘ গবেষণা করে তিনি আবিষ্কার করেছেন ফিকামলি তত্ত্ব। ফিকামলি হলো পাখি, ব্যায়াম ও ধ্যানের সমন্বয়ে দেহ, মন ও আত্মার সুস্থতার অনুশীলন পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে ব্যায়াম করলে শারীরিক সুস্থতার সঙ্গে আসে মানসিক প্রশান্তি। বাড়ে মানুষের জীবনীশক্তি ও কর্মক্ষমতা। যারা ব্যায়াম করতে চায় না, এ পদ্ধতি জানলে ব্যায়ামের প্রতি তাদেরও আগ্রহ জন্মাবে।
ফিকামলি কী
শারীরিক সুস্থতার জন্য ব্যায়ামের মাধ্যমে ফিজিওথেরাপি, মানসিক সুস্থতার জন্য পাখির মাধ্যমে ক্যাথারসিস থেরাপি এবং আত্মার সুস্থতার জন্য মেডিটেশনের মাধ্যমে করা হয় মলিফিকেশন থেরাপি। সুস্থতার তিনটি মাধ্যমের আদ্যক্ষর মিলে হলো ফিকামলি। এ সম্পর্কে ড. ওয়াদুদ বলেন, 'ব্যায়ামের আগে চাই মনের সুস্থতা। পাখি দেখলে মানুষের মনের সুস্থতা আসে। আর আত্মার সুস্থতা আসে ধ্যানের মাধ্যমে। পাখির সাহায্যে মানসিক ও আ@ি@@@ক সুস্থতা নিশ্চিত করে ব্যায়াম করার পদ্ধতিই হলো ফিকামলি।' তিনি আরো বলেন, পাখির বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি ও খাদ্যাভ্যাস থেকে অনেক ব্যায়ামের উৎপত্তি হয়েছে। পদ্ধতিটি একদিকে যেমন বিনোদনভিত্তিক, অন্যদিকে চিন্তাপ্রবণ অনুুশীলন। পরিপূর্ণ সুস্থতার জন্য এ পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকর বলে তিনি জানান। ড. ওয়াদুদের দাবি, এটা শুধু দেশে নয়, সারা বিশ্বের ব্যায়ামজগতে এক অভিনব পদ্ধতির উদ্ভাবন।
যাদের জন্য প্রযোজ্য
বহুলপরীক্ষিত এ পদ্ধতির ব্যায়াম শরীরকে নীরোগ, মনকে সতেজ ও প্রফুল্ল রাখে। আনন্দ ও বিনোদনের জন্য সব বয়সের নারী ও পুরুষ এ পদ্ধতি প্রয়োগ করতে পারে। এটি যেমন সহজ, তেমনি কার্যকর। চাইলে নিজের বাসায়ও এই ব্যায়াম করতে পারেন।
প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য
শিশুদের কাছে পাখি অত্যন্ত প্রিয়। পাখি দেখলে তাদের মনের মধ্যে এক ধরনের প্রশান্তি আসে এবং ব্যায়ামের প্রতি আকৃষ্ট হয়। শুধু স্বাভাবিক শিশু নয়, এ ব্যায়াম প্রতিবন্ধী শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষ ফল দেয়। মানসিকভাবে অস্থির এবং প্রতিবন্ধী শিশুদের এ পদ্ধতিতে ব্যায়াম করালে তাদের মধ্যে চাঞ্চল্য ফিরে আসে। এতে তারা বিনোদন ও সুস্থতা ফিরে পায়।
উপকারিতা
যারা ব্লাড প্রেসারের রোগী, তাদের জন্য ব্যায়ামটি বিশেষ উপকারী। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে পদ্ধতিটি পরীক্ষিত। ক্রোধ, টেনশন দূরীকরণে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে এই ব্যায়াম অতুলনীয়। বাচ্চাদের মানসিক বিকাশে এ ব্যায়াম বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
জিম ও চিড়িয়াখানা
ফিকামলি ব্যায়াম প্রশিক্ষণের জন্য ড. ওয়াদুদ প্লাটিনাম জিমের সঙ্গে প্রতিষ্ঠা করেছেন মিনি চিড়িয়াখানা। হাতিরপুলে অবস্থিত এই মিনি চিড়িয়াখানায় তিনি বিভিন্ন প্রজাতির পাখির এক দুর্লভ প্রদর্শনী গড়ে তুলেছেন। এখানে আছে বিশ্বের বিলুপ্তপ্রায় অতি দুর্লভ প্রজাতির নানা রকম পাখি ও হরিণ। পরিচর্যার সুবিধার্থে তিনি ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির পাখির জন্য বিভিন্ন ধরনের নিরাপদ আবাসনের ব্যবস্থা রেখেছেন। তিনি জানান, পাখির রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত ব্যয়বহুল। একটু অবহেলা হলেই মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে। তাই সর্বক্ষণই রাখতে হয় বিশেষ নজর। দীর্ঘ ১৪ বছর গবেষণা করে তিনি সম্প্রতি দুর্লভ ম্যাকাও পাখির প্রজনন ঘটাতে সক্ষম হয়েছেন। সদ্য মা হওয়া ম্যাকাও পাখির গতিবিধি ও বাচ্চার বেড়ে ওঠা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ চলছে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায়, দেখানো হচ্ছে বড় পর্দায়। দর্শনার্থীরা বিনা মূল্যে চিড়িয়াখানাটি পরিদর্শন করতে পারে। আর কেউ যদি পাখি পুষতে এবং ফিকামলি সম্পর্কে জানতে চায়, এখান থেকে সহায়তা করা হয়। চাইলে প্লাটিনাম জিমে এসে ফিকামলি পদ্ধতিতে ব্যায়ামও করতে পারেন।
যোগাযোগ : ২২/২ হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫, মোবাইল : ০১৭১৮৩৬৭৮১৮, ০১৯১১৩২৬২৩০।
 Source: http://www.kalerkantho.com/  
ড. ওয়াদুদের পাখি জগত


মানুষের কৌতুহল আর আগ্রহে বৈচিত্র্যের কোনো শেষ নেই। এমনই এক বিচিত্র তত্ত্ব হচ্ছে 'ফিকামলি'। এই তত্ত্ব হচ্ছে পাখি, ব্যায়াম, ধ্যান- এ তিনের সমন্বয়ে দেহ, মন ও আত্মার সার্বিক সুস্থতার জন্য বিনোদন ভিত্তিক চিন্তাপ্রবণ অনুশীলণ পদ্বতি। পাখির উপর দীর্ঘ গবেষণায় এই তত্ত্বের আবিষ্কার করেন ড. আবদুল ওয়াদুদ। সুস্থতার তিনটি মাধ্যমের অদ্যাক্ষর মিলিয়ে পদ্ধতির নামকরণ করা হয় ফিকামলি। দীর্ঘ গবেষণালব্ধ ও বহুল পরিক্ষীত এই পদ্ধতির ব্যায়াম শরীরকে নিরোগ, মনকে সতেজ ও প্রফুল্ল রাখে।

শারিরীক সুস্থতার জন্য ব্যায়াম অপরিহার্য। আর ব্যায়ামেরই অভিনব ধরন ও পদ্ধতির সমন্বয় করা হয়েছে এই ফিকামলি তত্ত্বের মাধ্যমে। আর সবক্ষেত্রেই রয়েছে পাখির ব্যবহার। ফিজিওথেরাপি, ক্যাথারসিস থেরাপি, মলিফিকেশন থেরাপিসহ অভিনব সব পদ্ধতি মানুষের শরীর, মন ও আত্মার সুস্থতা নিশ্চিত করে বলে দাবি করেন ড. ওয়াদুদ। অনাবিল আনন্দ মানসিক প্রশান্তি ও চিত্তবিনোদনের জন্য সব বয়সের নারী পুরুষের কাছে এ ব্যায়াম সহজ ও বেশি কার্যকরী। বিশেষ করে ব্লাড প্রেসার, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রন, ক্রোধ, টেনশন দূরীকরণে ও হৃদরোগের ঝুঁিক কমাতে এ ব্যায়াম অতুলনীয়। বাচ্চাদের মানসিক বিকাশে এ ব্যায়াম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এটা শুধু বাংলাদেশে নয় সমগ্র বিশ্বে ব্যায়াম জগতে এক নতুন ধারণা। ড. আবদুল ওয়াদুদ এর ব্যায়ামের সাথে পাখির দীর্ঘ গবেষণায় দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বিরল প্রজাতির ম্যাকাও পাখি ও অন্যান্য বিদেশী পাখি ডিম ফুটে বাচ্চা দিয়েছে। ২২/২, হাতিরপুলে অবস্থিত প্লাটিনাম জিমের নিজস্ব মিনি চিড়িয়াখানায় মা পাখির গতিবিধি ও বাচ্চার বেড়ে ওঠা ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা দ্বারা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ চলছে ও বড় পর্দায় দেখানো হচ্ছে। দর্শনার্থীরা বিনামূল্যেই চিড়িয়াখানাটি পরিদর্শন করতে পারেন। এখানে রয়েছে বিশ্বের বিলুপ্তপ্রায় অতি দুর্লভ প্রজাতির নানারকম পাখি ও হরিণ। এসব পুষতে আগ্রহীদের এখান থেকে সহায়তা করা হয়। পাখির অসুখ বিসুখে দেওয়া হয় বিনা খরচে পরামর্শ । * রকমারি ডেস্ক
 

No comments:

Post a Comment